রবিবার, ০৫ Jul ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
করোনায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত হলেও বন্যায় আর করোনায় অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে দলটি। বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনে চলেছে শুদ্ধি অভিযান। নেতৃত্বের ধরনে এনেছে পরিবর্তন। আর মহামারিতে দলটি হারিয়েছে মোহম্মদ নাসিম ও সাহারা খাতুনসহ রাজপথের অনেক নেতাকে।
২০১৯ এর শেষে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। কমিটি গঠনে বড় বার্তা ছিল দল ও সরকারকে আলাদা করার।
বছরের শুরুতে আলোচনা আসে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ছাত্রলীগ আর সেচ্ছাসেবকলীগের কোন কোন নেতার কর্মকাণ্ড। যার জের টানতে হয় মূল দল আওয়ামী লীগকেই।
এরপরেই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে সহযোগী সংগঠনগুলোতে কাউন্সিলের মাধ্যমে আনা হয় নতুন নেতৃত্ব। বছরের প্রথমভাগে দেখা দেয় করোনা মহামারী। সবকিছু স্থবির ও ঘরবন্দি। থমকে যায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।
তবে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে দাঁড়ায় দলের সব ইউনিট। সারাদেশেই খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী দেয়ার পাশাপাশি কৃষকদের ধানও কেটে দেয় দলের নেতাকর্মীরা।
রাজপথে নেই আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠনগুলো। এমন অপবাদ ছিল দলটির বিরুদ্ধে। অবশেষে জাতির পিতার ভাস্কর্য ইস্যুতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে তারা মাঠে নামে।
মহামারিতেই দল হারিয়েছে মোহাম্মদ নাসিম, সাহারা খাতুন , ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, নওগাঁ ৬ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম, পাবনা ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ, সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন আহমদ কামরানসহ অনেককেই। এছাড়া শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, খন্দকার আসাদুজ্জামান প্রাণ হারিয়েছেন এবছর।